আহ্! আমার বন্ধুর কথায় qq777 থেকে এই চ্যাটিং অ্যাপটা ডাউনলোড করে কী মজা পেলাম!
· অফিসিয়াল
আহ্! আমার বন্ধুর কথায় qq777 থেকে এই চ্যাটিং অ্যাপটা ডাউনলোড করে কী মজা পেলাম!
এই বুড়ো বয়সে এসেও যে এমন একটা আনন্দ পাব, সেটা কখনো ভাবিনি! আমার নাম রহিম শেখ। অবসরের পর থেকে বাড়িতেই থাকি। ছেলেমেয়েরা সবাই নিজেদের কাজ নিয়ে ব্যস্ত। দিনের বেশিরভাগ সময়টা একা একাই কাটতো। খবরের কাগজ পড়া, টিভি দেখা – এর বাইরে আর তেমন কিছু করার ছিল না। মনে হতো, যেন একঘেয়েমি আমার নিত্যসঙ্গী হয়ে উঠেছে।
একদিন আমার স্কুল জীবনের বন্ধু করিম এলো বাড়িতে। ও আমাকে দেখে বলল, ‘কিরে রহিম, তোর মুখটা এমন শুকনো কেন? আজকাল তোকে দেখলেই মনে হয় যেন কত চিন্তায় আছিস!’ আমি বললাম, ‘আর বলিস না ভাই, এই বুড়ো বয়সে আর কীসের চিন্তা? একঘেয়েমি আর একাকীত্ব ছাড়া আর কিছুই নেই।’
তখন করিম হাসতে হাসতে বলল, ‘আরে বোকা! এখনকার দিনে এসব চিন্তার কোনো মানে আছে? শোন, আমি তোকে একটা দারুণ জিনিস দেখাই। আমি qq777 থেকে একটা চ্যাটিং অ্যাপ ডাউনলোড করেছি। তুইও কর, দেখবি তোর সময় কীভাবে কেটে যাবে!’
qq777 থেকে চ্যাটিং অ্যাপ ডাউনলোড করে যা পেলাম:
- পুরনো বন্ধুদের সাথে যোগাযোগ: করিমের কথা শুনে আমি qq777 ওয়েবসাইটে গেলাম এবং অ্যাপটা ডাউনলোড করে নিলাম। বিশ্বাস করবি না, এই অ্যাপে পুরনো স্কুল-কলেজের বন্ধুদের একটা গ্রুপ আছে! এত বছর পর তাদের সাথে আবার কথা বলতে পেরে কী যে ভালো লাগছে!
- পরিবারের সাথে সহজ যোগাযোগ: আমার ছেলেমেয়েরা যারা বিদেশে থাকে, তাদের সাথে নিয়মিত ভিডিও কলে কথা বলতে পারি। নাতিনাতনিদের হাসি মুখ দেখে মনটা ভরে যায়।
- নতুন কিছু শেখা: অ্যাপটায় আরও অনেক গ্রুপ আছে – যেমন বাগান করা, বই পড়া, দেশ-বিদেশের খবর নিয়ে আলোচনা। আমি তো এখন প্রতিদিন নতুন কিছু শিখছি!
- মনের শান্তি: সবচেয়ে বড় কথা হলো, আমার একাকীত্ব দূর হয়ে গেছে। এখন আর একা একা লাগে না। যখন মন চায়, কারো না কারো সাথে কথা বলতে পারি।
সত্যি বলছি, qq777 থেকে এই চ্যাটিং অ্যাপটা ডাউনলোড করার পর আমার জীবনটা যেন আবার প্রাণবন্ত হয়ে উঠেছে। করিমকে হাজার হাজার ধন্যবাদ, আর qq777 কেও অনেক ধন্যবাদ এমন একটা প্ল্যাটফর্ম তৈরি করার জন্য। যারা আমার মতো অবসরের পর একটু একাকীত্ব অনুভব করছেন, তাদের জন্য আমার একটাই অনুরোধ – একবার qq777 থেকে একটা ভালো চ্যাটিং অ্যাপ ডাউনলোড করে দেখুন, আপনার জীবনও বদলে যাবে!